শেয়ারবাজার উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকা চায় বিএমবিএ

0

স্টকরিপোর্ট প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ) । যা ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ডের (সিএমএসএফ) মাধ্যমে বন্ড ইস্যু করে সংগ্রহ করা যেতে পারে।

গতকাল সোমবার (২১ মার্চ) বিএমএবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক রিয়াদ মতিন সাক্ষরিত এই সংক্রান্ত প্রস্তাব বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিএসইসির অনেক উদ্যোগের পরেও সম্প্রতি বাজারে অস্থিরতা তৈরী হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের অনেক বিক্রির চাপ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে স্বাভাবিকতা ফেরাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থের সহায়তা প্রয়োজন।

বিএসবিএ বলছে, আমাদের বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আধিক্যতা একটি বড় সমস্যা। এছাড়া বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহন কম ও ডিলারসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগও খুবই দূর্বল। কারন বাজার মধ্যস্থাতাকারীদের অর্থ সংগ্রহের মাধ্যম সীমিত।

অন্যদিকে বাহ্যিক কিছু পরিবর্তনের কারণেও বাজারের অবস্থার অবনতি হচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে তাদের বিক্রির চাপ বাড়াচ্ছেন। এতে পতন হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকলে মার্জিন ঋণ প্রদানকারীদের শেয়ার বিক্রি করে তাদের মার্জিন অনুপাত সামঞ্জস্য করতে হবে। যাতে শেয়ারবাজারে আরও পতন হতে পারে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধার ব্যবস্থা করে বাজারের মধ্যস্থতাকারীদের শক্তিশালী করার প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ। যাতে বাজার মধ্যস্থতাকারীরা সাধারন বিনিয়োহকারীদের আতঙ্কিত হয়ে বিক্রির চাপ মোকাবেলায় সহযোগিতা করতে পারবে। এজন্য বাজার মধ্যস্থতাকারীদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব করেছে বিএমবিএ। যা ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রহ করে স্বল্প সুদে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দিতে পারে।

বিএমবিএ বলছে, এই ফান্ড যদি বাজার মধ্যস্থতাকারীরা সঠিকভাবে বিনিয়োগ করে, তাহলে বর্তমান সমস্যা সমাধান হবে এবং বাজারের তারল্য সংকটের সমস্যা কেটে যাবে বলে চিঠিতে জানিয়েছে বিএমবিএ। এছাড়া এই উদ্যোগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সরকার বাজার উন্নয়নে কাজ করছে বলে অংশীজনদের মধ্যে খবর যাবে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং বাজারে স্বাভাবিক গতি থাকবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.